ঢাকা, বৃহস্পতিবার   ০৩ এপ্রিল ২০২৫

Ekushey Television Ltd.

১৫ আগস্ট হত্যার নেপথ্যের কুশীলবরা এখনও আড়ালে (ভিডিও)

একুশে টেলিভিশন

প্রকাশিত : ১১:৫৯, ১৫ আগস্ট ২০২০

Ekushey Television Ltd.

আজ শোকাবহ ১৫ই আগস্ট; জাতীয় শোক দিবস। আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রে ১৯৭৫-এর কালরাতে জাতির পিতাকে স্বপরিবারের হত্যা করে বিপথগামী কিছু সেনাসদস্য। ইতিহাসের নৃশংসতম এই হত্যাযজ্ঞ থেকে রেহাই পায়নি বঙ্গবন্ধুর ছোট ছেলে শিশু রাসেলও। দীর্ঘদিন পর খুনীদের বিচার হলেও নেপথ্যের কুশীলবরা এখনও আড়ালে বলে আক্ষেপ বঙ্গবন্ধুর সহযোদ্ধাদের। 

বঙ্গবন্ধু, বাঙালীর অবিসংবাদিত নেতা, জাতির অহঙ্কার। ভাষা আন্দোলন, যুক্তফ্রন্ট নির্বাচনের দুর্দান্ত সংগঠক, পাকিস্তানি সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে দুর্বার সংগ্রামী, স্বাধীকারের দলিল ৬ দফার রূপকার, সর্বোপরি স্বাধীন বাংলাদেশের স্বপ্নদ্রষ্টা ও মুক্তি সংগ্রামের নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। 

যুদ্ধবিধ্বস্থ দেশকে গড়ে তুলতে বঙ্গবন্ধু যখন পরিকল্পনা করছেন, তখনই শুরু হয় দেশি-বিদেশী ষড়যন্ত্র। মধ্যরাতে আঘাত হানে বিপথগামী সেনা সদস্যদের খুনিচক্র। রক্তাক্ত হয় ধানমণ্ডির ৩২ নম্বর। শাহাদৎ বরণ করেন হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালী শেখ মুজিবুর রহমান। 

এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডে খুন হন বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছা মুজিব, বঙ্গবন্ধুর দুই ছেলে শেখ কামাল, শেখ জামাল, দুই পুত্রবধু, একমাত্র ভাই শেখ আবু নাসের। বঙ্গবন্ধুর আদরের সন্তান শিশু রাসেলকেও ছাড়েনি খুনিরা। একই রাতে বঙ্গবন্ধুর স্বজনদেরও খুঁজে খুঁজে হত্যা করা হয়।

আবারও পাকিস্তানি ভাবধারায় হাঁটতে শুরু করে বাংলাদেশ। ইতিহাস থেকে মুছে ফেলার চেষ্টা করা হয় বঙ্গবন্ধুকে, তাঁর নেতৃত্বে অর্জিত স্বাধীনতার চেতনাকেও।

আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য তোফায়েল আহমেদ জানান, যে দেশের দামাল ছেলেরা হাসিমুখে মৃত্যুকে আলিঙ্গন করতে পারে সেই দেশের স্বাধীনতা কেউ নষ্ট করতে পারবে না। আমার বাংলাদেশ স্বাধীন হবেই। বঙ্গবন্ধু বাঙালিদেরকে ভালবাসতেন। বঙ্গবন্ধু কখনও বিশ্বাস করতে না যে, বাঙালির কেউ বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করতে পারে। অনেকেই বঙ্গবন্ধুকে সতর্ক করেছিলেন, শুধু দেশের না বিদেশি শ্রীমতি ইন্ধিরা গান্ধী থেকে শুরু করে অনেকেই বঙ্গবন্ধুকে সতর্ক করেছিলেন।

ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ দিয়ে রুদ্ধ করা হয় বিচারের পথ। একুশ বছর বিচার চাইতে পারেননি স্বজনরা, নীরবে শুধু চোখের পানি ফেলেছেন। 

তোফায়েল আহমেদ বলেন, অর্থাৎ বঙ্গবন্ধুর খুনী, যাদের মৃত্যুদণ্ড হয়েছে। এই মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার জন্য পৃথিবীর দেশে-বিদেশে সব জায়গায় আমাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় খুনীদেরকে দেশে এনে সাজাটা কার্যকর করার জন্য প্রচেষ্টায় আছে এবং এটা অব্যাহত থাকবে।

মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃতিকারীরাও এ ষড়যন্ত্রের অংশ, তাই তাদেরকেও বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করানো প্রয়োজন।

এএইচ/এমবি


Ekushey Television Ltd.

© ২০২৫ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি